দু'টি পাখি কবিতা লিখেছেন জনপ্রিয় কবি ও সাহিত্যিক আব্দুল হামিদ সরকার।


 সংক্ষিপ্ত কবি পরিচিতি:-


জন্ম:- কবি আব্দুল হামিদ সরকারের জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলাধীন ঐতিহ্যবাহী দেলুয়া গ্রামে,পহেলা ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে। পিতা মৃত আফতাব উদ্দিন সরকার ও মাতা মৃত মোাছাঃ হামিদা খাতুন। নব্বইয়ের দশকে এই কবির জন্মস্থান দেলুয়া গ্রাম রাক্ষসী যমুনার গর্ভে বিলীন হবার পর, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জের সেন ভাঙ্গাবাড়ি গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। 


শিক্ষা:-তিনি সোহাগপুর নতুনপাড়া আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৮৮ সালে মানবিক বিভাগে এস.এস.সি, বেলকুচি কলেজ হতে ১৯৯০ সালে এইচ.এস.সি এবং ১৯৯২ সালে স্নাতক (পাস) ডিগ্রী লাভ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৯৪ সালে এম.এস.এস রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিগ্রী লাভ করেন।


সাহিত্য চর্চা:- তিনি একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক উপন্যাসিক। তিনি অসংখ্য কবিতা ও ছড়া রচনা করেছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের  সবুজ মতিহার ক্যাম্পাস ও রেল স্টেশনে বসে তিনি অধিকাংশ কবিতা/ছড়া রচনা করেছেন। এছাড়া হুরাসাগর নদীর উঠানের প্রতিবেশী গ্রাম ঐতিহ্যবাহী সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামের সরষে ক্ষেতের আইল পথে ও বাড়ির পিছনে বয়ে যাওয়া আঁকা-বাঁকা খাল-বিলের শিয়রে বসে কবিতা/উপন্যাস রচনা করেছেন।

 

লেখা-লেখি:- তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলো হল 

"স্মৃতির দোলনা" (আত্মজীবনীমুলক) (২০১৪) 

১ম গ্রন্থ, "প্রেমের সুনামী" (২০১৫) ২য় গ্রন্থ, "ভালবাসার রংধনু" (২০১৬) ৩য় গ্রন্থ,

"মধ্যরাতের হাসি" (কিশোর ছড়াকাব্য) (২০১৭) চতুর্থ গ্রন্থ, "দূর আকাশের নীহারিকা" (২০১৮) পঞ্চম গ্রন্থ,

ও "রক্ত কাজল" (মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস) (২০২০) ৬ষ্ঠ গ্রন্থ।


পেশা:- তিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলাধীন নারী শিক্ষা উন্নয়নের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বেলকুচি বহুমুখী মহিলা ডিগ্রী কলেজের, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের, একজন সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।


স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা:- কান্তকবি রজনীকান্ত সেনের স্মৃতি বিজড়িত গ্রাম:- সেন ভাঙ্গাবাড়ি,

ডাকঘর:- ভাঙ্গাবাড়ী, উপজেলা:- বেলকুচি,

জেলা:- সিরাজগঞ্জ এর নিভৃত পল্লীতে সাধারণভাবে জীবন-যাপন করছেন। 

মোবাঃ ০১৭৩১০৬৪৯৩৫

Mobile: 01731064935.



কবিতা-

"দু'টি পাখি"

-কবি আব্দুল হামিদ সরকার।


দুটি পাখি একই ডালে কিচির-মিচির করে,

সুখ-দুঃখের সনে তারা স্বপ্ন নীড় গড়ে।

মেঘ-বৃষ্টি-ঝড়ের দিনে ভীষণ হাওয়া দোলে,

চুপটি করে থাকে তারা পড়ে যাবে বলে।

সকাল হলে ছুটে চলে আহারের খোঁজে,

পাখির ছানার আহাজারি রোজ কানে বাজে।

আহার খেয়ে, আহার নিয়ে ফিরে যখন বাসায়,

মা পাখিটা স্নেহ রসে আহার তুলে খাওয়ায়।

পাখির ডানা গজায় পাখা মায়ের আদরে,

কলোরব করত সদা মধ্য-দুপুরে।

পাখি দু'টি থাকত ডালে উঠানের গাছে,

সকাল-বিকাল বসত সদা মোর নয়নের কাছে।

No comments